খেলা

ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ করল টাইগাররা

সবমিলিয়ে ২৬তম কিংবা ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে পঞ্চম সিরিজ জয়টা ঢাকায়ই নিশ্চিত করে এসেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শেষ ম্যাচটিতে লক্ষ্য ছিল হোয়াইটওয়াশের। সেইসঙ্গে ওয়ানডে সুপার লিগে নিজেদের প্রথম সিরিজে পূর্ণ ত্রিশ পয়েন্টও নিশ্চিত করার। সেই লক্ষ্যে নেমে ‘ফুল মার্কস’ নিয়েই পাস করেছে তামিম ইকবালের দল। শুধু সিরিজ জয়ই নয়, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্বিতীয় এবং সবমিলিয়ে প্রতিপক্ষকে ১৪তম বারের মতো হোয়াইটওয়াশ করার কীর্তি দেখিয়েছে বাংলাদেশ।

সোমবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে চট্টগ্রামে মুখোমুখি হয় দু’দল। দিবারাত্রির এই ম্যাচে সকালে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় উইন্ডিজ অধিনায়ক। গত দুই ম্যাচে নিজেদের বোলিংয়ের ধার পরখ করতে পারছিল না বলেই এমন সিদ্ধান্ত সফরকারীদের।

ব্যাট করতে নেমে টাইগারদের চার অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ খেলেন অর্ধশতকের ইনিংস। তামিম, মুশফিক ও অপরাজিত থাকা মাহমুদউল্লাহ খেলেন সমান ৬৪ রানের ইনিংস। তাতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ২৯৭ রানে। উইন্ডিজদের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন আলজারি জোসেফ ও রেয়মন রেইফার। ১টি উইকেট নেন কাইল মায়ার্স। এই ম্যাচে অভিষেক হওয়া পেসার কিওর্ন হার্ডিং ১০ ওভারে দেন ৮৮ রান। যা উইন্ডিজ ক্রিকেট ইতিহাসে অভিষেকে সর্বোচ্চ রান দেয়ার রেকর্ড।

গত দুই ম্যাচে উইন্ডিজরা করেছিল ১২২ ও ১৪৮ রান। এই দুই ম্যাচের দিকে তাকালে আজকের ম্যাচে উইন্ডিজদের সামনে ২৯৭ রান পাহাড়সম লক্ষ্য। লক্ষ্য টপকাতে নেমে সেই ছন্নছাড়া ব্যাটিং সফরকারীদের। ঢাকা কি চট্টগ্রাম কি, একই রকম আচরণ উইন্ডিজ ব্যাটারদের। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে মুস্তাফিজুর রহমানের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার কিওর্ন ওটলে (১)।

এরপর সুনীল অ্যামব্রিস আর এনক্রুমাহ বোনারের দ্বিতীয় উইকেট জুটি থেকে আসে ২৩ রান। এখানেও বিপত্তি মুস্তাফিজের। তার বল বুঝেই উঠতে পারেননি ওপেনার সুনীল অ্যামব্রিস। ১৪ বলে ১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন এলবিডব্লু হয়ে। বোনার আর জেসন মোহাম্মদের তৃতীয় উইকেট জুটিটা ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ইনিংসের ১২.১ ওভারের মাথায় মিরাজের বলে এলবিডব্লু হয়ে ২৩ বলে ১১ রান করে কাইল মায়ার্স ফেরেন সাজঘরে।

এরপর দলীয় ৭৯ রানের মাথায় ১৭ রান করে ফেরেন জেসন মোহাম্মদ। সাইফউদ্দিনের বলে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে। এখন পর্যন্ত দলীয় সর্বোচ্চ ৩১ রানের ইনিংস খেলা এনক্রুমাহ বোনারকেও দলীয় ৯৩ রানের মাথায় বোল্ড করে ফেরান সাইফউদ্দিন।

দলের বিপর্যয়ে হাল ধরার চেষ্টা রবম্যান পাওয়েলের। কিন্তু বাকিরা যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি পাওয়েলকে। শেষ পর্যন্ত সৌম্য সরকারের বলে এলবিডব্লু হয়ে ৪৮ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলে থামতে হয় তাকে। শেষ দিকে রেয়মন রেইফারের ২৭ রান শুধু ব্যবধানটাই কমিয়েছে হারের। বাংলাদেশের হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ ও মেহেদী মিরাজ। ১টি উইকেট নিয়েছেন সৌম্য সরকার।

এমন আরো তথ্য পেতে চোখ রাখুন: http://facebook.com/rajtvbd

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button